চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় এসএসসি পরীক্ষায় ফেল করে নুপুর কর্মকার (১৭) নামে এক পরীক্ষার্থী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে পৌর এলাকার আনন্দধাম এলাকাতে এ ঘটনা ঘটে।
নুপুর কর্মকার আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার খোকা কর্মকারের মেয়ে। তিনি আলমডাঙ্গা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তিনি মানবিক বিভাগের ছাত্রী ছিল।
স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যরা জানান, নুপুর ভালো ছাত্রী ছিল। কিন্তু এসএসসি পরীক্ষায় তিনি ইংরেজি বিষয়ে ফেল করেছে। তিনি মোবাইলে ফলাফল দেখার পর মানসিক বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বুধবার বিকেলে ঘরে ঢুকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।
নুপুরের পিতা খোকা কর্মকার জানান, এসএসসি পরিক্ষায় ফেল করায় গত দুইদিন ধরে মেয়েটি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। ঘর থেকে বাহিরে বের হতেন না। পরিবারের সকলে তাকে সান্ত্বনা দিতেন। বুধবার বিকেলে তাকে অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করলেও ঘরের মধ্যে তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘরে গিয়ে দেখে সে গলায় ফাঁস দিয়েছে। এরপর দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
আলমডাঙ্গা থানার ওসি বানী ইসরাইল জানান, এ নিয়ে পরিবারের কোনো অভিযোগ নেই। তাই ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ সৎকারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে এ নিয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে পৌর এলাকার আনন্দধাম এলাকাতে এ ঘটনা ঘটে।
নুপুর কর্মকার আলমডাঙ্গা পৌর এলাকার খোকা কর্মকারের মেয়ে। তিনি আলমডাঙ্গা পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তিনি মানবিক বিভাগের ছাত্রী ছিল।
স্থানীয় ও পরিবারের সদস্যরা জানান, নুপুর ভালো ছাত্রী ছিল। কিন্তু এসএসসি পরীক্ষায় তিনি ইংরেজি বিষয়ে ফেল করেছে। তিনি মোবাইলে ফলাফল দেখার পর মানসিক বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। বুধবার বিকেলে ঘরে ঢুকে ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন।
নুপুরের পিতা খোকা কর্মকার জানান, এসএসসি পরিক্ষায় ফেল করায় গত দুইদিন ধরে মেয়েটি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। ঘর থেকে বাহিরে বের হতেন না। পরিবারের সকলে তাকে সান্ত্বনা দিতেন। বুধবার বিকেলে তাকে অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করলেও ঘরের মধ্যে তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা ঘরে গিয়ে দেখে সে গলায় ফাঁস দিয়েছে। এরপর দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
আলমডাঙ্গা থানার ওসি বানী ইসরাইল জানান, এ নিয়ে পরিবারের কোনো অভিযোগ নেই। তাই ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ সৎকারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে এ নিয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
অনলাইন ডেস্ক